মঙ্গলবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাদুল্লাপুরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন; শ্যালো মেশিন জব্দ গাইবান্ধায় বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন গাইবান্ধা পৌর আওয়ামীলীগের শীতবস্ত্র বিতরণ বল্লমঝাড় ইউনিয়নের সাহারবাজারে শিশু খাদ্য তৈরি হচ্ছে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে গাইবান্ধায় প্রধানমন্ত্রীর শীতবস্ত্র উপহার পেলেন ২৫০ টি পরিবার অসহায় ও দরিদ্র শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেল মাহমুদ হাসান রিপন. এমপি গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষ, প্রাণ গেল ৩ জনের  গাইবান্ধায় শিক্ষা উপকরণের দাম কমানোর দাবিতে- গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ গাইবান্ধায় এক মাদক কারবারিকে যাবতজীবন কারাদন্ড ফুলছড়িতে জমি নিয়ে মারপিটের শিকার মুক্তিযোদ্ধার সন্তান

অপূর্ব সাহা’র ফটোগ্রাফি দেখে মুগ্ধ গাইবান্ধাবাসী

নিজম্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৭ জুলাই, ২০২২

মোঃ রিফাতুন্নবী রিফাত,গাইবান্ধাঃ। অপূর্ব সাহা। জন্ম ১৯৮৩ সালে ৩১শে ডিসেম্বর । বাবা পেশায় একজন ব্যাবসায়ী। অপূর্ব সাহা বর্তমানে বসবাস করেন গাইবান্ধা জেলা শহরের ব্রীজরোড কালিবাড়ী পাড়ার সুরুজ বাসিনি ভবনে। বর্তমানে তিনি বাবা-মা বড় দুই ভাই স্ত্রী এক কন্যা সন্তান নিয়ে সুখেই বসবাস করছেন।

অপূর্ব সাহা’র ফটোগ্রাফি এবং ভিডিও এডিটিং এর ব্যাপারে কিছু তার অজানা গল্প শুনবো। ২০০২ সালে তিনি ভিডিও এডিটিং শেখা শুরু করেন এবং দীর্ঘ ২ বছর কাজ শিখার পর ২০০৪ সাল থেকে তিনি নিজ উদ্যাগে কাজ চালিয়ে যান। তার পর পরেই ছবি তোলা নেশা লেগে গেল। ঠিক তখনই 6D Mark 2 conon ক্যামেরা কিনেন এবং সঙ্গে ল্যান্স ছিল 24-105। আর তাকে তখন থেকে পিছু পা হতে হয়নি।

বর্তমানে তিনি বিভিন্ন ধরনের ন্যাচারাল ছবি’র পাশাপাশি এটিকে পেশা হিসাবে নিয়ে দীর্ঘ দিন থেকে সুনামের সহীত কাজ করেই চলছেন। তার ব্যাবসায়ী প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়েছেন,’ আর কে কম্পিউটার এন্ড মাল্টিমিডিয়া। এটিও তার ধর্মের সঙ্গে কিছুটা মিল রেখে দিয়েছেন।

বর্তমানের তার ফটোগ্রাফি’র কাজে বেশ কয়েকটি DSLAR ক্যামেরা ভিডিও ক্যামেরা ড্রোন সহ নানা রকম জিনিসপত্র আছে। তার কাজের সঙ্গী হিসাবেও আছেন কয়েকজন।

গাইবান্ধা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও ৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. কামাল হোসেন বলেন, অপূর্ব দাদা ফটোগ্রাফি এবং ভিডিও এডিটিং এর কাজগুলো খুবই চমৎকার। যা আমাকে মুগ্ধ করেছে মনে মধ্যে। আমার সব ধরনের প্রোগ্রাম বা অনুষ্ঠানে তাকে আমি আমন্ত্রণ জানাই দাদা এসে খুবই সুন্দর করে নিজের লোক হিসাবে ভালো ভাবে কাজ করে দেয় এবং অল্প খরচই নেয় যা নেওয়া মতোই তাই নেয় অতিরিক্ত বেশি নেয় না।

এদিকে, তরুন ফটোগ্রাফার রাকিবুল ইসলাম রকি বলেন, অপূর্ব দাদা খুবই সাদা মনের মানুষ আমার ফটোগ্রাফি বিষয়ে কোনো কিছু লেল্প লাগলে তার কাছ থেকে শিখে নেই। তিনি মনোযোগ সহকারে আমাকে শিখায় দেন। আমি দোয়া করি দাদা যেন তার ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান কে সামনের দিনে এগিয়ে নিয়ে যাক।

বর্তমানে অপূর্ব সাহার ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান তার নিজ বাস ভবনের নিচ তলায়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

All Rights Reserved © 2022 Gaibandha Report

কারিগরি সহায়তায় : শাহরিয়ার হোসাইন