শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৩:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গাইবান্ধায় ট্রাকের ধাক্কায় মেডিকেল ফার্মাসিস্ট নিহত উপ-নির্বাচন গাইবান্ধা-৫ ফুলছড়িতে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী রিপনের নির্বাচনী সভা উদাখালীর ৬টি স্থানে নৌকা প্রতীকে ভোট চেয়ে  মাহমুদ হাসান রিপনের সহধর্মিণীর পথসভা সুন্দরগঞ্জে তিস্তা নদী থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার থেমে গেছে তাসফিকার দূরন্তপনা, কাঁদছেন বাবা-মা করোনাকালীন খাদ্য সহায়তায় ভূমিকা রাখায় সম্মাননা পেল ফুলছড়ির উদ্যোক্তা মনোয়ার জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক পেলেন শিক্ষক রেজাউল আলম  ফুলছড়িতে শিল্পকলা একাডেমির  নতুন ভবনের উদ্বোধন গাইবান্ধা জেলা আ’লীগের সভাপতি সিদ্দিক, সম্পাদক মোজাম্মেল আওয়ামীলীগ দেশের অন্যতম সংগঠন : রমেশ চন্দ্র সেন

অপূর্ব সাহা’র ফটোগ্রাফি দেখে মুগ্ধ গাইবান্ধাবাসী

নিজম্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৭ জুলাই, ২০২২

মোঃ রিফাতুন্নবী রিফাত,গাইবান্ধাঃ। অপূর্ব সাহা। জন্ম ১৯৮৩ সালে ৩১শে ডিসেম্বর । বাবা পেশায় একজন ব্যাবসায়ী। অপূর্ব সাহা বর্তমানে বসবাস করেন গাইবান্ধা জেলা শহরের ব্রীজরোড কালিবাড়ী পাড়ার সুরুজ বাসিনি ভবনে। বর্তমানে তিনি বাবা-মা বড় দুই ভাই স্ত্রী এক কন্যা সন্তান নিয়ে সুখেই বসবাস করছেন।

অপূর্ব সাহা’র ফটোগ্রাফি এবং ভিডিও এডিটিং এর ব্যাপারে কিছু তার অজানা গল্প শুনবো। ২০০২ সালে তিনি ভিডিও এডিটিং শেখা শুরু করেন এবং দীর্ঘ ২ বছর কাজ শিখার পর ২০০৪ সাল থেকে তিনি নিজ উদ্যাগে কাজ চালিয়ে যান। তার পর পরেই ছবি তোলা নেশা লেগে গেল। ঠিক তখনই 6D Mark 2 conon ক্যামেরা কিনেন এবং সঙ্গে ল্যান্স ছিল 24-105। আর তাকে তখন থেকে পিছু পা হতে হয়নি।

বর্তমানে তিনি বিভিন্ন ধরনের ন্যাচারাল ছবি’র পাশাপাশি এটিকে পেশা হিসাবে নিয়ে দীর্ঘ দিন থেকে সুনামের সহীত কাজ করেই চলছেন। তার ব্যাবসায়ী প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়েছেন,’ আর কে কম্পিউটার এন্ড মাল্টিমিডিয়া। এটিও তার ধর্মের সঙ্গে কিছুটা মিল রেখে দিয়েছেন।

বর্তমানের তার ফটোগ্রাফি’র কাজে বেশ কয়েকটি DSLAR ক্যামেরা ভিডিও ক্যামেরা ড্রোন সহ নানা রকম জিনিসপত্র আছে। তার কাজের সঙ্গী হিসাবেও আছেন কয়েকজন।

গাইবান্ধা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও ৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. কামাল হোসেন বলেন, অপূর্ব দাদা ফটোগ্রাফি এবং ভিডিও এডিটিং এর কাজগুলো খুবই চমৎকার। যা আমাকে মুগ্ধ করেছে মনে মধ্যে। আমার সব ধরনের প্রোগ্রাম বা অনুষ্ঠানে তাকে আমি আমন্ত্রণ জানাই দাদা এসে খুবই সুন্দর করে নিজের লোক হিসাবে ভালো ভাবে কাজ করে দেয় এবং অল্প খরচই নেয় যা নেওয়া মতোই তাই নেয় অতিরিক্ত বেশি নেয় না।

এদিকে, তরুন ফটোগ্রাফার রাকিবুল ইসলাম রকি বলেন, অপূর্ব দাদা খুবই সাদা মনের মানুষ আমার ফটোগ্রাফি বিষয়ে কোনো কিছু লেল্প লাগলে তার কাছ থেকে শিখে নেই। তিনি মনোযোগ সহকারে আমাকে শিখায় দেন। আমি দোয়া করি দাদা যেন তার ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান কে সামনের দিনে এগিয়ে নিয়ে যাক।

বর্তমানে অপূর্ব সাহার ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান তার নিজ বাস ভবনের নিচ তলায়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

All Rights Reserved © 2022 Gaibandha Report

কারিগরি সহায়তায় : শাহরিয়ার হোসাইন